Health

আফ্লাটক্সিন-মুক্ত দুধ গ্রহণ সম্পর্কে সচেতনতা

দুধ কিংবা দুগ্ধজাত পণ্যে অ্যান্টিবায়োটিক থাকা মানুষের শরীরের জন্য হুমকি স্বরূপ। অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের শরীরে প্রবেশের মাধ্যমে আমাদের দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় আমাদের শারীরিক অসুস্থতায় শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না। যা আমদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

কীভাবে দুধে অ্যান্টিবায়োটিক আসে?

অনেক সময় খামারে গরু বিভিন্ন রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং এর জন্য অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়ে থাকে। আর এই অ্যান্টিবায়োটিক মুক্ত হতে সময় লাগে ১৪-১৫ দিন। আর এই দিনগুলোতে গরু থেকে প্রাপ্ত দুধও হয় অ্যান্টিবায়োটিক যুক্ত। এই দুধ গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের শরীরেও অ্যান্টিবায়োটিক চলে আসে।

তাই শুধু দুধ খেলেই হবেনা, নিরাপদ দুধ খাওয়া জরুরি। অনেকেই ভাবছেন কীভাবে পাবেন ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক মুক্ত দুধ।

অ্যান্টিবায়োটিক মুক্ত দুধ

‘বাকারা’ ব্র্যান্ড নিয়ে এসেছে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক মুক্ত মিল্ক। নিজস্ব হাই-টেক খামারে অস্ট্রেলিয়ান গাভী হতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে হাতের স্পর্শ ছাড়াই দুধ দোহন ও অনলাইন পাস্তুরিত করা হয় যা অ্যান্টিবায়োটিক মুক্ত।

আজ জানব এমনই আরেকটি বিষয় সম্পর্কে, সেটি হচ্ছে আফলাটক্সিন।

আফলাটক্সিন কী? এবং কীভাবে দুধে আসে?

দুগ্ধজাত পণ্যে থাকা ক্ষতিকর একটি উপাদান হচ্ছ আফলাটক্সিন। আফলাটক্সিন ৩ ধরনের ফাংগাস থেকে তৈরি হয়ে থাকে, যা সাধারণত শস্যাদিতে উৎপন্ন হয়। গরু কিংবা গবাদি পশু যখন্ এই ফাংগাস যুক্ত ঘাস বা খাবার খায়, তখন গবাদি পশুর দেহেও আফলাটক্সিন মিশে যায় এবং তার থেকে উৎপাদিত দুধও আফলাটক্সিন যুক্ত হয়। আর এভাবেই দুধ কিংবা দুগ্ধজাত পণ্যের মাধ্যমে মানুষের শরীরেও এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে।

মানুষের দেহে আফ্লাটক্সিন এর প্রভাব

দুধ কিংবা দুগ্ধজাত পণ্য থেকে মানবদেহে আসা এই আফ্লাটক্সিন এর কিছু ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। যথা-

১) শিশুর দেহে শারীরিক বৃদ্ধি কিংবা বিকাশজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২) লিভার ড্যামেজ, এমনই দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব স্বরূপ লিভার ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে।

কীভাবে আফ্লাটক্সিন মুক্ত দুধ বেছে নিবেন?

আফ্লাটক্সিন মুক্ত দুধের জন্য প্রয়োজন গরু কিংবা গবাদি পশুর সঠিক খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশের প্রথম হাইটেক খামার থেকে প্রাপ্ত বাকারা দুধ নিশ্চিত করে আফলাটক্সিন ফ্রি দুধ। উন্নত ফিড ম্যানেজমেন্ট আর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পূর্ণ হাতের স্পর্শ ছাড়াই নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত দুধ নিশ্চিত করে বাকারা ব্র্যান্ড।

পরিবারের শারীরিক সুস্থতায় শুধু দুধ নয়, নিরাপদ দুধ বেছে নেওয়া প্রয়োজন। আর তাই নিশ্চিন্তে আপনার পরিবারের সুরক্ষায় বেছে নিতে পারেন বাকারা দুধ।